কয়েক হাজার বছরের পুরোনো এক পাজল গেম- ট্যানগ্রাম। আজও এটা সমান বিস্ময় জাগায়। মাত্র সাতটি জ্যামিতিক টুকরো দিয়ে হাজার হাজার নকশা ও জ্যামিতিক আকৃতি তৈরি করার এক অসাধারণ খেলা ট্যানগ্রাম। এটা দিয়ে বানানো যায় নৌকা, বাঘ রকেট ঘর-বাড়ি সবকিছু। নানারকম ত্রিভূজ ও চতুর্ভূজ দিয়ে খেলতে খেলতে এসব আকৃতি বানাতে গেলে আপনার সন্তানের কগনিটিভ অ্যাবিলিটি ও স্প্যাশিয়াল অ্যাওয়ারনেস বৃদ্ধি পাবে। ফলে তার মেধা ও বুদ্ধিবৃত্তি বিকশিত হতে থাকবে।
অন্যদিকে উজ্জ্বল স্ক্রিনের ভিডিও ক্ষণিকের আনন্দ দিলেও হাত‑চোখ‑মস্তিষ্কের সমন্বয়, গভীর মনোযোগ আর ধৈর্য বাড়ায় না। গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত স্ক্রিন‑টাইমের ফলে শিশুদের মনোযোগের ঘাটতি হয় এবং সৃজনশীলতা ব্যাহত হয়।
ট্যানগ্রামের বক্সের ভেতরে ৭টি ম্যাগনেটিক শেইপ আছে। এছাড়াও আছে একটি রঙিন বুকলেট। এতে ট্যানগ্রামের ইতিহাস নিয়ে চমৎকার একটি গল্প আছে যা আপনার সন্তানের খুব ভালো লাগবে। আরো আছে এক্সারসাইজ বুক। এতে নানারকম প্রবলেম দেয়া আছে, যা সলভ করতে করতে মাথার দারুণ ব্যায়াম হবে। প্রবলেমগুলির সমাধানও দেয়া আছে। এখানে দেয়া কয়েকশ প্রবলেমের পাশাপাশি নিজের কল্পনা ও বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে প্রায় পাঁচ হাজার আকৃতি তৈরি করা সম্ভব!
মাথা খাটানোর সেরা খেলা আপনার সন্তান যখন রঙিন সাত‑টুকরো জ্যামিতিক ধাঁধা ঘুরিয়ে‑ফিরিয়ে বাঘ, বাড়ি, রোবট বা এরকম নানা কিছু বানাবে, তখন তার মস্তিষ্কের এক ধরনের ওয়ার্ক আউট হবে! বাড়বে কল্পনা‑শক্তি, স্প্যাশিয়াল অ্যাওয়ারনেস আর সমস্যা‑সমাধানের দক্ষতা।
অবসর কাটানোর দারুণ উপায় মোবাইল‑ট্যাবের বদলে হাতে‑কলমে পাজল মেলাতে গিয়ে সময় কাটবে Productive ভাবে। এতে করে তার মনোযোগ এবং ধৈর্যেরও উন্নতি হবে।
পরিবারের সবাই মিলে খেলা যাবে ট্যানগ্রাম শুধু শিশুদের জন্য নয়, বড়রাও ব্যবহার করতে পারবে। পরিবারের সবাই মিলে “কে আগে নকশা মিলাবে?” বলে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিন, হাসি আর আনন্দে দারুণ সময় কেটে যাবে।
টেকসই ও নিরাপদ উচ্চমানের ম্যাটেরিয়াল দিয়ে তৈরি ট্যানগ্রাম। সহজে নষ্ট হবে না এবং অনেকদিন, বারবার ব্যবহার করা যাবে।