সারা দেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি | ১০% ডিসকাউন্ট পেতে জয়েন করুন প্যারেন্টিং ক্লাবে।
আপনি কি জানেন, আমাদের শরীরের ব্যায়ামের পাশাপাশি ব্রেইনেরও ব্যায়ামের প্রয়োজন আছে? বিশেষ করে আপনার সন্তানের জন্যে Brain এর ব্যায়াম খুবই জরুরী। কারণ, ছোটবেলা থেকেই যদি সে Brain খাটাতে শেখে, তাহলে এই অভ্যাসটা তার বাকি জীবনেও রয়ে যাবে। সে মাথা খাটিয়ে কাজ করতে এবং সমস্যার সমাধান করতে শিখবে। আজকাল অধিকাংশ বাবা-মা এসব বিষয়ে সচেতন নন। তারা বাচ্চাদের নানারকম ডিজিটাল ডিভাইস দিয়ে ব্যস্ত রাখতে চান।
এর ফলাফল কিন্তু ভয়াবহ!
ডিজিটাল ডিভাইসে আসক্ত শিশুর Cognitive ability ভালোভাবে বিকশিত হয় না। ফোকাসে সমস্যা হয় এবং এই ধরনের শিশুরা নানারকম মানসিক সমস্যায় ভোগে। আপনি নিশ্চয়ই জেনে বুঝে আপনার সন্তানের এমন ক্ষতি করবেন না!
এই বক্সটির ভেতরে ৮টি Brain stimulating পাজল রয়েছে । প্রতিটি পাজলে দুইটি ধাতব আকৃতি একে অপরের সাথে জুড়ে দেয়া থাকবে। ওই দুটো টুকরো আলাদা করে আবার আগের মতো করে জুড়ে দেয়াটাই হলো কাজ। এই খেলাটি খেলতে হবে বুদ্ধি আর ধৈর্য দিয়ে, জোর খাটিয়ে নয়। জোর করতে গেলে এগুলি বেঁকে যেতে পারে।
স্মার্ট পাজল, সৃজনশীল সমাধান
শিশুরা যখন ধাতব পাজলের আলাদা অংশগুলো খুলতে বা আবার জোড়া লাগাতে চেষ্টা করবে, তখন তাদের মস্তিষ্কে নতুন নতুন আইডিয়া আসবে, কীভাবে ঘোরালে বা মোচড় দিলেই সহজে সমাধান মিলতে পারে।
অবসর কাটানোর দারুণ উপায়!
ডিজিটাল ডিভাইসের পর্দার দিকে তাকিয়ে না থেকে হাতে-কলমে মস্তিষ্কের খেলায় কাটিয়ে দেয়া যাবে অনেকটা সময়। এই সময়টা হবে দারুণ Productive!
পরিবারের সবাই মিলে খেলা যাবে
ব্রেইন বুস্টার শিশুদের জন্যে দারুণ আনন্দদায়ক তো বটেই, বড়দের জন্যেও অবসর কাটানোর জন্যে চমৎকার একটি উপায়। পরিবারের সবাই মিলে এটি খেলা যাবে এবং বুদ্ধির খেলায় একে অপরকে চ্যালেঞ্জ জানানো যাবে।
টেকসই ও নিরাপদ
উচ্চমানের মেটাল দিয়ে তৈরি, ধারালো অংশ নেই। সহজে নষ্ট হবে না। বাচ্চারা নাড়াচাড়া করে ভেঙে ফেলতে পারবে না এবং অনেক দিন ধরেই ব্যবহার করা যাবে।
লজিক্যাল থিংকিং এর দারুণ অনুশীলন
এই পাজলগুলি সমাধান করতে শিশুদের পর্যায়ক্রমে চিন্তা করতে হয় কোন অংশ আগে ঘোরাতে হবে, কোথা দিয়ে মেটাল পিস গুলি বের করতে হবে ইত্যাদি। এতে তারা বিজ্ঞানসম্মতভাবে চিন্তা করতে শিখবে।
একাগ্রতা ও ধৈর্যের প্র্যাকটিস
তাড়াহুড়ো করে মেটাল রিং টানাটানি করলে কোনো লাভ হবে না। বরং ধীরে ধীরে ফোকাস ঠিক রেখে মাথা খাটিয়ে ধাঁধা সমাধান করতে হবে। এতে সে ধৈর্য ধরে কাজ করতে শিখবে।
স্ক্রিনটাইম এর বদলে কোয়ালিটি টাইম
ডিজিটাল ডিভাইসে ঘন্টার পর ঘন্টা স্ক্রলিং করে বাচ্চারা কিছুই শেখে না। শুধু তাই না, এটা আসলে খুবই ক্ষতিকর তার জন্যে। চোখ, মগজ, মনোযোগ সবকিছুরই ক্ষতি হয় এতে। ডিজিটাল অ্যাডিকশনের ক্ষতি কমিয়ে কোয়ালিটি টাইম দিতে ব্রেইন বুস্টার খুবই সহায়ক হবে।
মোটর স্কিল উন্নত হবে
মোটর স্কিল বলতে মূলত হাত ও আঙুলের সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক সমন্বয় বোঝায়। ব্রেইন বুস্টারের পাজলগুলি সলভ করতে গিয়ে এই স্কিলটার দারুণ উন্নতি হবে। এর দীর্ঘমেয়াদী সুফল আছে। এতে করে ভবিষ্যতে লেখা, আঁকা, হাতের কাজ বা কারিগরি কাজগুলোতে আরও সহজে দক্ষতা অর্জন করতে শিখবে আপনার সন্তান।